নিজস্ব প্রতিনিধি
এম এ রহমান জীবন, কানাইঘাট প্রতিনিধিঃ
আসছে আগমি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সারা দেশের ন্যায় সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার ১নং লক্ষিপ্রসাদ পুর্ব ইউনিয়নেও এক আনন্দমুখর পরিবেশে আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। উল্লেখ্য নির্বাচন কমিশনের স্থানীয় নির্বাচন নিয়ে আলোচনার পর থেকেই একাধিক প্রার্থীরা ছুটে চলেছেন এ ইউনিয়নের সাধারণ ভোটারদের দ্বারে দ্বারে। দিচ্ছেন নানান প্রতিশ্রুতি।
মূলত এ ইউনিয়নটি সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার পুর্বসীমান্তে লোভা নদী ও সুরমা নদী বেষ্টিত খনিজ সম্পদ ভরপুর একটি ইউনিয়ন।
এই ইউনিয়নে স্বাধীনতার পর থেকে আজ পর্যন্ত একাধিক ইউনিয়ন চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন কিন্তু দুঃখের বিষয় হল এই ইউনিয়নের কাঙ্ক্ষিত কোনো উন্নয়ন এখনো সম্ভব হয়নি। উপজেলার মধ্যে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন ও অবহেলিত একটি ইউনিয়ন হিসেবে পরিচিত এই ইউনিয়নটি, তাই এবার এই অবহেলিত ইউনিয়নের জনগণ আবেগ এবং অভিজ্ঞতা সম্পন্ন একজন প্রার্থী নির্বাচিত করে ইউনিয়নের সকল অসম্পূর্ণ কাজকে বাস্তবায়ন করে এই ইউনিয়নের সকল সমস্যা নিরসন করতে চায়। সেই ধারাবাহিকতায় একাধিক প্রার্থীরা ভোটারদের কাছে শুভেচ্ছা বিনিময় করছেন।
তার মধ্যে প্রচারণা, আলোচনা ও জনসমর্থনে এগিয়ে রয়েছেন কান্দলা গ্রামের ঐতিহ্যবাহী পরিবারের কৃতি সন্তান লক্ষিপ্রসাদ পুর্ব ইউনিয়নের প্রধান কাজী ডাঃ আশরাফুল আলম চৌধুরী।
তিনি আলোচনা, প্রচারণা এবং জনপ্রিয়তায় সবার চাইতে এগিয়ে রয়েছেন। এই ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ ও নেতাকর্মীরা বলেন, আশরাফুল আলম চৌধুরী'র চিন্তা চেতনা সমাজের নিপীড়িত-নির্যাতিত মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থাকার। তিনি সর্বদা এই অবহেলিত জনপদের উন্নয়নের কথা চিন্তা করে এই ইউনিয়নের মাটি ও মানুষের কল্যাণের উদ্দেশ্যে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে যাচ্ছেন।
তিনি লক্ষিপ্রসাদ পুর্ব ইউনিয়নের সর্বস্তরের মানুষের কাছে একজন নিঃস্বার্থ মানবিক সমাজকর্মী হিসাবেই পরিচিতি। তাঁর পিতা মরহুম সামছুজ্জান ও চাচা আব্দুল কুদ্দুস, মুলাগুলের শিক্ষা ব্যবস্থাকে আরো গতিশীল করার লক্ষ্যে মুলাগুল হারিছ চৌধুরী একাডেমি প্রতিষ্ঠাকালে ৩০ শতক জমি দান করেন যার বর্তমান মূল্য ১ কোটি টাকা এবং কান্দলা বায়তুল মামুর জামে মসজিদ প্রতিষ্ঠা কালেও তার পরিবার ২০ শতক জমি দান করেন যার বর্তমান মূল্য ৫ লক্ষ টাকা ও কান্দলা কেন্দ্রীয় কবরস্থানে ৩৩ শতক জমি দান করেন যার বর্তমান মুল্য ৯ লক্ষ টাকা এবং চব্বিশ বছরের কাজি হিসাবে এই মহান ব্যক্তি উক্ত ইউনিয়নের অসহায় অবহেলিত জনগোষ্ঠীকে নিকাহ রেজিস্টার ফ্রি ছাড়া-ই মানবিক সেবা দিয়েছেন। তাই ইউনিয়নের সাধারন জনগণ বিশ্বাস করেন কাজি আশরাফুল আলম চৌধুরী এই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হিসাবে নির্বাচিত হলে সাধারণ মানুষের
মাঝে রাষ্ট্রের সকল বরাদ্দের সঠিক বণ্টন সহ অবহেলিত এই ইউনিয়নের উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রায় ব্যাপক উন্নতি সাধিত হবে। মানুষের স্বপ্ন তারই হাত ধরে এ ইউনিয়ন একটি দারিদ্র্য দুর্নীতি ও দুঃশাসন মুক্ত একটি স্মার্ট মডেল ইউনিয়ন হিসেবে স্বীকৃতি পাবে। কারণ তাঁর স্বপ্ন এই ইউনিয়নকে স্মার্ট বাংলাদেশের রোল মডেল হিসেবে একটি ইউনিয়ন প্রতিষ্ঠিত করা।
কাড়াবাল্লা থেকে মঙ্গলপুর পর্যন্ত খোঁজ নিয়ে জানা যায় এলাকাবাসীর কাছে অত্যন্ত সাদামাটা ও ক্লিন ইমেজের একজন মানুষ হিসেবে দলমত নির্বিশেষে ব্যাপক পরিচিত মুখ কাজি আশরাফুল আলম চৌধুরী।
লক্ষীপ্রসাদ পূর্ব ইউনিয়নের সর্বস্তরের রাজনৈতিক সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উল্লেখ করে বলেন, কানাইঘাট উপজেলার মধ্যে একমাত্র কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হচ্ছে আমাদের লোভাছড়া পাথর কেয়ারি, এই কোয়ারিটি দির্ঘদিন থেকে ভিবিন্ন কারনে বন্দ রয়েছে, এতে হাজার হাজার শ্রমজীবী মানুষরা কর্মহীন হয়ে পড়েছে। তাই, যদি আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে কাজি আশরাফুল আলম চৌধুরীকে চেয়ারম্যান হিসাবে নির্বাচিত করতে পারি তাহলে এই এলাকার কর্মহীন মানুষের জন্য ভালো কিছু করবেন বলে আমরা আসা করি।
তাই এবার ইউপি নির্বাচনে আমরা সাধারণ জনগণ
কাজি আশরাফুল আলম চৌধুরীকে-ই চেয়ারম্যান হিসাবেই দেখতে চাই। এবং উনার বিজয়ের ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্ত করতে গিয়ে আরো বলেন, কানাইঘাট উপজেলার মধ্যে লক্ষীপ্রসাদ পূর্ব ইউনিয়নে আশরাফুল আলম চৌধুরীর পক্ষে সাধারণ মানুষের মনে গণজোয়ার সৃষ্টি হবে ইনশাআল্লাহ।
আমরা দলমতের উর্ধে উঠে একজন সামাজ কর্মী ও ভালো মানুষ হিসাবে সমর্থন দিয়েছি। এবার যদি আমরা তাকে নির্বাচিত করতে না পারি তাহলে হয়তো আগামীর আরো পাঁচ বছর আমাদের পস্তাতে হবে। তাই জীবদ্ধশায় আমরা একজন ক্লীন ইমেজের
অধিকারী হিসেবে কাজি আশরাফুল আলম চৌধুরীকে উপযুক্ত সম্মান দিয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত করে আমাদের লক্ষীপ্রসাদ পূর্ব ইউনিয়নের অসম্পূর্ণ কাজগুলোকে বাস্তবায়ন করবো ইনশাআল্লাহ।