মাহাবুবুর রহমান শিপন
নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলার ৭ নং হাটপুকুরিয়া ঘাটলাবাগ ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও নারায়ণপুর আর কে উচ্চবিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির অভিভাবক সদস্য মাসুদ আলমের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর অপপ্রচার এবং রাজনৈতিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার প্রতিবাদে এলাকাবাসীর উদ্যোগে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) বিকেলে উপজেলার দক্ষিণ ঘাটলাবাগ মসজিদ কমপ্লেক্স মাঠে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন, মাসুদ আলম বিএনপির একজন নিবেদিত কর্মী। এলাকায় তিনি কোনো ধরনের অন্যায় বা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত নন। একটি ব্যক্তিগত পারিবারিক বিরোধের ঘটনাকে রাজনৈতিক রং দিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভ্রান্তিকরভাবে প্রচার করা হয়েছে। এর মাধ্যমে তাকে সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করাই স্বার্থান্বেষী মহলের উদ্দেশ্য বলে অভিযোগ করেন তারা।
সংবাদ সম্মেলনে মাসুদ আলম বলেন, তার আপন মামাদের মধ্যে জায়গা-জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। এ বিরোধকে কেন্দ্র করে একপর্যায়ে তাদের মধ্যে ঝগড়ার সৃষ্টি হয়। ওই সময় প্রশাসনের লোকজনও ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন।
তিনি বলেন, ঝগড়ার একপর্যায়ে তার মেজো মামাকে ছোট মামার ছেলে নাছির উদ্দিন বাঁশ দিয়ে আঘাত করার চেষ্টা করেন। পরিস্থিতি আরও বড় ধরনের সংঘর্ষে রূপ নিতে পারে—এমন আশঙ্কায় তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন। একপর্যায়ে তিনি তার মামাতো ভাই নাছির উদ্দিনকে শাসিয়ে ঘটনাস্থল থেকে চলে যেতে বলেন।
মাসুদ আলম দাবি করেন, ঘটনাটির সঙ্গে কোনো রাজনৈতিক বিষয় জড়িত নয়। সেখানে কোনো রাজনৈতিক ব্যক্তির সঙ্গে তার ঝগড়া বা সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটেনি। বরং নাছির উদ্দিন নিজেও বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত বলে তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, একটি ভিডিওর আংশিক দৃশ্য দেখে এবং প্রকৃত ঘটনা না জেনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাকে রাজনৈতিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করা হচ্ছে।
মাসুদ আলম বলেন, “কোনো ভিডিও দেখে বা অসম্পূর্ণ তথ্যের ভিত্তিতে কাউকে রাজনৈতিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন কিংবা মিথ্যা অপবাদ দেওয়া মোটেও সমীচীন নয়। প্রকৃত ঘটনা যাচাই করে তারপর কোনো বিষয়ে মন্তব্য করা উচিত।”
সংবাদ সম্মেলনে প্রকৃত ঘটনার বিস্তারিত তুলে ধরে বক্তব্য দেন বিএনপি নেতা আইয়ুব বাঙালি, যুবদল নেতা মিজানুর রহমানসহ এলাকার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।